logo

চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচন আবারও স্থগিত

চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচন আবারও স্থগিত

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) দ্বিবার্ষিক নির্বাচন-২০২৫ এর ভোটগ্রহণ আবারও স্থগিত করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর ফলে আগামী ৪ এপ্রিল নির্ধারিত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অনিবার্য কারণবশত’ ৪ এপ্রিলের নির্ধারিত ভোটগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এতে নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মনোয়ারা বেগম স্বাক্ষর করেন।

এর আগে, গত ৩ মার্চ জারি করা এক স্মারকে নির্বাচনসংক্রান্ত তপশিল ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী ৪ এপ্রিল ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মাত্র দুদিন আগে হঠাৎ করে নির্বাচন স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত এলো। বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতের কারণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে বা নতুন তপশিল কবে ঘোষণা করা হবে সে বিষয়েও এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

সর্বশেষ এই চেম্বারে ভোট হয়েছিল ২০১৩ সালে। এরপর সব কমিটি গঠিত হয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। গত বছরের ১১ আগস্ট তপশিল ঘোষণার পর দীর্ঘদিন পর এই চেম্বারে ভোটের আশা করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। গত ১ নভেম্বর চেম্বারের ভোট হওয়ার কথা ছিল। তবে চেম্বারের দুই শ্রেণিকে পকেট ভোট দাবি করে একটি পক্ষ প্রথমে এফবিসিসিআই ও পরে আদালতের দ্বারস্থ হন একটি পক্ষ। একপর্যায়ে স্থগিত হয়ে যায় নির্বাচন।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর চেম্বারের পুরো পর্ষদ পদত্যাগ করে। তখন থেকে প্রশাসক দিয়েই চলছে চেম্বারের কার্যক্রম। তপশিল ঘোষণার সময় প্রশাসক ছিলেন তৎকালীন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা। সে বছর ৮ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেন একই পদে থাকা মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নূরী। গত ২১ জানুয়ারি প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় বর্তমানে একই পদে থাকা মো. মোতাহার হোসেনকে।

১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের শীর্ষস্থানীয় একটি অলাভজনক সংগঠন। আগ্রাবাদে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি বন্দর নগরীর ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে কাজ করে। এটি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারি নীতিনির্ধারণে পরামর্শক হিসেবে ভূমিকা রাখে।