মেঘনায় ট্রলাডুবি: দুই ভাই ও বোনের মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুদিন পর দুই ভাই ও তাদের বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌপুলিশ।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো হলো হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব, সামিন, মেয়ে সামিয়ার। হেলাল উদ্দিন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে, ট্রলারডুবির পর রাশিদা নামে এক নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা জেলার শ্রীমন্দী গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন যাত্রী একটি ট্রলারে করে বৈদ্যার বাজারের উদ্দেশে রওনা হন। মেঘনা নদীর মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। একপর্যায়ে ট্রলারটি উল্টে নদীতে ডুবে যায়।
এ সময় ট্রলারে থাকা আটজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। রাশিদা নামে এক নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই পরিবারের হেলাল উদ্দিন, তার ছেলে সজিব, সামিন ও মেয়ে সামিয়া নিখোঁজ ছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌপুলিশ মেঘনা নদীতে তাদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে আসছিল।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন এশিয়া পোস্টকে বলেন, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ আরও একজনের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চলছে।
