logo

অনুমোদন ছাড়াই চলছিল মেলা, অভিযান চালিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন

অনুমোদন ছাড়াই চলছিল মেলা, অভিযান চালিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন
অনুমোদনহীন মেলায় উপজেলা প্রশাসনের অভিযান। ছবি : এশিয়া পোস্ট

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে জেলা প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই আয়োজিত ‘বৃক্ষরোপণ ও শিশু বিনোদন মেলা’ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার শ্মশান বাজার মাঠে অভিযান চালিয়ে মেলার কয়েকটি স্টল ও প্রবেশপথ সরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের মালপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মেলার কয়েকজন ব্যবসায়ী ও আয়োজক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুটিমারী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে মেলাটির আয়োজন করা হয়েছিল। মেলায় বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা স্টল দেন।

মেলা চলাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মেলাটি বন্ধ করে দেন।

মেলায় স্টল দেওয়া ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, আমরা কয়েক দিন ধরে এখানে ব্যবসা করছিলাম। আজ হঠাৎ ইউএনও পুলিশ নিয়ে এসে সবকিছু ভেঙে দেন। এতে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেল।

আরেক ব্যবসায়ী জিহাদ আলী বলেন, আগে থেকে জানানো হলে আমরা নিজ থেকেই সরে যেতাম। আমরা জানতাম মেলার অনুমোদন নেওয়া আছে এবং তা চলবে। হঠাৎ মেলা বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছি।

মেলার আয়োজক ও পুটিমারী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খবির উদ্দিন দাবি করেন, মেলার জন্য জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। এখনও দুই দিন সময় বাকি আছে। গতকাল রাতে একজন মেলা বন্ধ করতে বলেছিলেন। কিন্তু আজ হঠাৎ ইউএনও এসে মেলার সবকিছু ভেঙে দেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান এশিয়া পোস্টকে বলেন, মেলাটি কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই চলছিল। তাই অভিযান চালিয়ে এটি বন্ধ ও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম ডালিম এশিয়া পোস্টকে জানান, আমি দেখেছিলাম মেলার জন্য জায়গাটি সাজানো হয়েছে, এতটুকুই। বিস্তারিত কিছু আমার জানা ছিল না। তবে যতটুকু জানতে পেরেছি, এই মেলার কোনো অনুমোদন ছিল না।

জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান এশিয়া পোস্টকে বলেন, বিষয়টি জানতে পারার পর আমি ইউএনও মহোদয়কে পাঠিয়ে মেলাটি বন্ধ করিয়েছি। জেলা প্রশাসন থেকে এ ধরনের কোনো মেলার অনুমোদন দেওয়া হয়নি।