logo

শরীয়তপুর হয়ে হিজলা পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ

শরীয়তপুর হয়ে হিজলা পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নূরউদ্দিন আহমেদ অপুর আবেদনে শরীয়তপুর হয়ে বরিশালের হিজলা উপজেলা পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

গত ২৯ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক পত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। পত্রে বলা হয়, জাতীয় রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসন এবং দেশের দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে শরীয়তপুর সদর, ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা ও গোসাইরহাট হয়ে বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলা পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

দীর্ঘ দিন ধরে শরীয়তপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ সরাসরি রেল যোগাযোগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নূরউদ্দিন আহমেদ অপু বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করলে তা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। পরে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় রেলপথ মন্ত্রণালয়কে দ্রুত সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম সম্পন্ন করে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতিও জরুরি ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অবহিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, এই রেললাইন বাস্তবায়িত হলে শরীয়তপুরসহ আশপাশের জেলার সঙ্গে ঢাকার সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি পণ্য পরিবহন এবং শিল্পখাতের বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, এই রেললাইন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। বিশেষ করে শরীয়তপুর, বরিশালসহ নদীবিধৌত অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, সরকার গঠনের ৫ মাসের মধ্যেই এত বড় একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এজন্য আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের শরীয়তপুর, বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও ভোলার সাথে ঢাকার যোগাযোগ সহজ হবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই রেললাইনটি বাস্তবায়ন করে আমাদের স্বপ্নপুরনের যে আকাঙ্ক্ষা সেটি বাস্তবায়ন করবেন।