logo

পিরোজপুরে ট্রলারডুবি: মেয়ের পর উদ্ধার হলো নিখোঁজ মায়ের মরদেহ

পিরোজপুরে ট্রলারডুবি: মেয়ের পর উদ্ধার হলো নিখোঁজ মায়ের মরদেহ
পিরোজপুরের নাজিরপুরে ট্রলারডুবিতে প্রাণ হারানো শিশু অর্পিতা (বামে) ও তার মা রিনা বেপারী (ডানে)। ছবি : এশিয়া পোস্ট কোলাজ

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী বন্দর ফেরিঘাটে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের ৩ দিন পর মা রিনা বেপারীর (৩৯) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে দুর্ঘটনার ৩ ঘণ্টা পর তার ৮ বছরের মেয়ে অর্পিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক এ কে এম রায়হানুল আশরাফ হোসেন।

নিহত রিনা বেপারী নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠি গ্রামের শংকর বেপারীর স্ত্রী।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গত ৩ দিন আগে দুর্গাপূজার উৎসব শেষে বাড়ি ফেরার পথে অতিরিক্ত যাত্রী ও মোটরসাইকেল বহনের কারণে শ্রীরামকাঠী বন্দরে ট্রলারটি ডুবে যায়। ঘটনার পরপরই শিশু অর্পিতার লাশ উদ্ধার হলেও তার মা রিনা বেপারী পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হন।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মধুরাবাধ এলাকায় নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে যৌথ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক এ কে এম রায়হানুল আশরাফ হোসেন জানান, ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের যৌথ প্রচেষ্টায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে মধুরাবাধ এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের দেবর লাশটি শনাক্ত করার পর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজিয়া শাহনাজ তমা বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ মিলবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া ইজারা পাওয়া ঘাটের লোকজনের কোনো অবহেলা থাকলে ঘাটের ইজারা বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।