logo

ভোলায় ঝড়ে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত

ভোলায় ঝড়ে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত

হঠাৎ ঝড়ে ভোলার চরফ্যাশনের বিচ্ছিন্ন ঢারচর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশতাধিক বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বসতঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত ও ৪০টি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। 

সোমবার (১৬ মার্চ) মধ্যরাতে এই ঝড় আঘাত হানে। 

স্থানীয় জানান, গভীর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলে। এতে ঢালচর ও পূর্ব ঢালচরের অনেক বসতঘর ও মাছের আড়তের চাল ও বেড়ার টিন উড়ে যায়। বেশ কয়েকটি গাছ ভেঙে গেছে। স্থানীয়দের দাবি ঢালচর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশতাধিক বসতঘর ও মাছের আড়ত আংশিক ও পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। দ্রুত সরকারি সহযোগিতা দাবি করেছেন তারা। 

ক্ষতিগ্রস্ত মো. ছালাউদ্দিন জানান, গভীর রাতে হঠাৎ ঝড়ে আমার বসতঘরের চালার টিন ও বেড়া বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। পুরো বসতঘর আমার বিধ্বস্ত হয়েছে। বসতঘরে থাকার মতো কোনো পরিবেশ নেই। এখন স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে আত্মীয়ের ঘরে আশ্রয় নিয়েছি। 

মো. আব্বাস জানান, তার বসতঘরের চালার টিন বাতাসে নিয়ে গেছে। এখন বৃষ্টি হলে আমাদের ভিজতে হবে। সরকার থেকে সহযোগিতা পেলে ঘর নির্মাণ করব। দ্রুত সরকারি সহযোগিতা কামনা করছি। 

ব্যবসায়ী মো. শাহে আলম জানান, গভীর রাতে ঝড়ে পূর্ব ঢালচরের তারসহ প্রায় ২০টির মত মাছের আড়ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবগুলোরই টিন বাতাসে নিয়ে গেছে। কারোটার উপরের চালের টিন আবার কারো বেড়ার টিন বাতাস ভেঙে নিয়ে গেছে। 

মো. ইউসুফ জানান, গভীর রাতের হঠাৎ ঝড়ে ঢালচর ইউনিয়নের ৫০টির মতো বসতঘর ও মাছের আড়ত বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টির মতো বসতঘর ও ২০টির মতো মাছের আড়ত রয়েছে। কারও বসতঘর পুরোপুরি আবার কারও আংশিক। এতে ক্ষত-ক্ষতি প্রায় কয়েক লাখ টাকা। 

তিনি আরও জানান, ঢালচর ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ দরিদ্র। তাই তাদের পক্ষে আবার নির্মাণ করা কষ্ট হবে। তাই সরকারি সহযোগিতা দাবি করেন তিনি। 

তবে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমাদুল হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি খাদ্য ও টিনসহ অন্যান্য সহযোগিতা করা হবে।