সীমান্তে নিখোঁজ যুবকের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি সীমান্তে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর শওকত আলী নামে বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পদ্মা নদীতে মরদেহ পাওয়ার পর স্বজনরা গোপনে দাফনের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
মৃত শওকত আলী শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ঠুঠাপাড়া গ্রামের মৃত মিজানুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে রাত ১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের জহুরপুর টেক বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২৩/৭ এস এর কাছ দিয়ে ১০-১৫ জনের একটি দল ভারত থেকে অবৈধভাবে গরু আনার জন্য সীমান্তে প্রবেশ করে। ওই ঘটনার পর থেকেই শওকত আলী নিখোঁজ ছিলেন। এ বিষয়ে শওকতের পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
নিখোঁজের পাঁচ দিন পর শনিবার (১৬ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে ৫৩ বিজিবির ফরিদপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার অন্তর্গত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার হাকিমপুর পয়েন্টে পদ্মা নদীতে শওকত আলীর মরদেহ ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে তার আত্মীয়স্বজনরা নদী থেকে মরদেহ গোপনে বাড়িতে নিয়ে যান।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা পদ্মা নদী থেকে মরদেহ বাড়ি নিয়ে গোপনে দাফনের চেষ্টা করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনাটি নদী এলাকার হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মরদেটি নৌপুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গোদাগাড়ী নৌপুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জীবন জানান, মরদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
