logo

ভোলায় বাবা-মায়ের পাশে চিরনিন্দ্রায় তোফায়েল আহমেদ

ভোলায় বাবা-মায়ের পাশে চিরনিন্দ্রায় তোফায়েল আহমেদ
ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তৃতীয় জানাজা শেষে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তোফায়েল আহমেদকে দাফন করা হয়। ছবি: এশিয়া পোস্ট

বাবা-মায়ের পাশেই চিরনিন্দ্রায় শায়িত হলেন আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে ভোলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা হয়।

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অগ্রসৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা হয় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে। সেখানেই তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়। জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন এবং তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

জানাজা শেষে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

তোফায়েল আহমেদ জীবদ্দশায় নিজের জন্মভূমি ভোলার মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে পরিবার। পরিবারের সদস্যরা সেই ইচ্ছাই পূরণ করেছেন।

এর আগে রাজধানী থেকে হেলিকপ্টারে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলায় নেওয়া হয়। ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে জানাজায় রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ৯ বার সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তোফায়েল আহমেদ। তার মৃত্যুতে ভোলাসহ সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহল গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর থেকে কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ হিসেবে সারা দেশে পরিচিতি লাভ করেন।