logo

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় ইউনাইটেড পিপল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) এক সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ৩নং পানছড়ি সদর ইউপির বড়কোণা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। 

নিহত আপন ত্রিপুরা ৫নং উল্টাছড়ি ইউপির মরাটিলা এলাকার পদ্মিনী পাড়া গ্রামের কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় সন্তু গ্রুপের ১৫-২০ জনের একদল সশস্ত্র বাহিনী পানছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়কোণা এলাকায় প্রবেশ করে ওৎ পেতে বসে থাকে। এ সময় ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার পথে তাদের সামনে পড়ে যায়। এসময় তারা তাকে কাছে পেয়ে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি ইউনিটের সংগঠক অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এ হত্যার ঘটনায় জেএসএস-সন্তু লারমা পক্ষকে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। 

অংগ্য মারমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পানছড়ি এলাকায় জেএসএস-সন্তু লারমা পক্ষ খুন, অপহরণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। কিন্তু প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। উল্টো তাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। এর ফলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, জনসংহতি সমিতির কোনো সদস্যের এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ঘটনায় জনসংহতি সমিতিকে দোষারোপ করা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, হ্যাঁ আমরা খবর পেয়েছি। তবে এলাকা দুর্গম হওয়ায় সেখানে পৌঁছাতে এবং মরদেহ উদ্ধার করতে সময় লাগছে।