logo

বিএনপির উদ্দেশে রুমিন ফারহানার কড়া বার্তা

বিএনপির উদ্দেশে রুমিন ফারহানার কড়া বার্তা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রথম প্রহরে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার সময় হট্টগোল ও বাধার সম্মুখীন হন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

পরে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘বিএনপির কিছু লোক আমার নেতাকর্মীদের ওপর রীতিমতো হামলা করেছে। আমাকে এক পাশে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে বলব, ১৭ বছর পর তারা ক্ষমতায় এসেছে। লোকাল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে।’

পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘ ১৫ বছর একটা লম্বা সময় বিএনপির নানাভাবে চাপে ছিল, লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে, তারা যখন এ রকম ভয়ংকর হিংস্রতা নিয়ে পলিটিক্যাল পদের ব্যবহার করার চেষ্টা করে, এটা মনে হয় দলের উঁচু পর্যায় থেকে মনিটর করা এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এটা দলের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর হবে এবং সরকারের জন্য ক্ষতিকর হবে।’

বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দাবি জানান, বিএনপির নতুন সরকার এসেছে। আশা করি, তারা দল ও সরকার হিসেবে এসব উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মীদের ব্যাপারে ত্বরিত ব্যবস্থা নেবে।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে সরাইল উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে উপস্থিত হন রুমিন ফারহানা। এ সময় তার সঙ্গে কয়েক শ’ সমর্থক ছিলেন। সমর্থকদের কয়েকজন এ সময় তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে স্লোগান দেন। রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন রুমিন। এ সময় বিএনপির কিছু নেতাকর্মীকে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এদিকে ১২টা ১ মিনিট বাজার সঙ্গে সঙ্গে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যান তিনি। একই সময়ে ফুল দিতে আসেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির বর্তমান সদস্য আনোয়ার হোসেন মাস্টার। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং শহীদ মিনারের আশপাশে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই জুতা পায়ে শহীদ মিনারে উঠে পড়েন। শহীদ মিনারে দেওয়া ফুলও ছিঁড়ে ফেলা হয়।