logo

যশোরে বাওড় দখল নিয়ে বিএনপি-যুবদলের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

যশোরে বাওড় দখল নিয়ে বিএনপি-যুবদলের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
(বাঁয়ে) ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল এবং বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরের চাল (ডানে)। ছবি : এশিয়া পোস্ট

যশোরের শার্শায় কন্যাদহ গ্রামে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও বাওড় দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে শর্টগানের ছররা গুলিতে চারজন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে দুটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে শহিদ আলীর নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একদল সশস্ত্র লোক দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে গাইনপাড়ায় রেজাউল ইসলাম গাইনের বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়। এ সময় হামলাকারীরা অন্তত ১০-১২টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে বাবু গাইন ও আনারুল নামের দুই ব্যক্তির বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শার্শা উপজেলার কন্যাদহ বাওড় ও এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা রেজাউল ইসলাম গাইনের সঙ্গে উপজেলা বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শহিদ আলী এবং শার্শা উপজেলা যুবদলের সদ্য বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদের লোকজনের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে আগেও একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

রেজাউলের পক্ষের লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাদের লক্ষ্য করে শর্টগানের গুলি ছোড়ে। এতে শাহ আলম (৩৮), আবদুল্লাহ (৩২), বকুল (৩৪) এবং তার ছেলে শাখিল (১৫) ছররা গুলিতে আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে মশিয়ার মোড়ল (৫৬) নামের এক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপি নেতা শহিদ আলী ও যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহিদ।

শার্শা থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) শামিনুল হক জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।