জামালপুরে রিকশা চালককে ট্রাফিক পুলিশের মারধর

জামালপুরে রিকশা চালককে ট্রাফিক পুলিশের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এশিয়া পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অ্যপস) ইয়াহিয়া আল মামুন।
তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অ্যপস) ইয়াহিয়া আল মামুন। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান এবং ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর আলম।
এর আগে সোমবার দুপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে জামালপুর শহরের বিসিক শিল্প নগরী এলাকার প্রধান ফটকের সামনে প্রায় দেড় ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা। এতে শহরের বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এ সময় একটি রিকশা ট্রাফিক নির্দেশনা অমান্য করে প্রধান সড়কে উঠে যায়। এ নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে রিকশা চালকের কথা কাটাকাটি হয়। ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রুহুল আমিন রিকশা চালককে মারধর করেন।
আহত রিকশা চালক শুভ বলেন, ‘ট্রাফিক স্যার বলল পিছায়ে দে। আমি বললাম গাড়ির পিছনে তো কোনো জায়গা নাই। কথা বলতেই তিনি আইসা আমাকে থাপ্পড় মারল। থাপ্পড় মাইরা সে এই মুখের মধ্যে ঘুষি মারছে। আমি বললাম স্যার আমারে ঘুষি মারলেন কেন বলতেই উনি বলে এই শালারপুত আইগা।
জামালপুর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাগের মাথায় ঘটানাটি ঘটেছে। একজন দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার কখনও এরকম আচরণ করতে পারেন না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানানো হয়েছে।
জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অ্যপস) ইয়াহিয়া আল মামুন বলেন-, আমাকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা করব।
