পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসে কোস্টগার্ডের জালে ধরা বনদস্যু

সুন্দরবন থেকে উঠে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসে কোস্টগার্ডের জালে ধরা পড়েছেন সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ বনদস্যু ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আব্দুস সামাদ মোল্লা। পরে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে সুন্দরবনের গহিনে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বনদস্যুর বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ডের আওতায় অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ডকে আটক করা হয়েছে।
আব্দুস সামাদ মোল্লা গত ১৩ এপ্রিল সুন্দরবন থেকে উঠে বাগেরহাটের রামপালের শুকদারা বাজার-সংলগ্ন এলাকায় নিজ বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ কারতে আসেন। এরপর কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে ২০ এপ্রিল রাতে ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটক সামাদকে নিয়ে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে মোংলার সুন্দরবনের নন্দবালা খাল-সংলগ্ন এলাকায় মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা একটি একনলা বন্দুক, একটি এয়ার গান ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়।
আটক মো. আব্দুস সামাদ মোল্লা বাগেরহাটের রামপালের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
কোস্টগার্ড জানায়, জব্দ করা অস্ত্র-গুলি ও আটক ডাকাতের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ রূপে দস্যুমুক্ত করতে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।