সিলেটে ৪ হাজার কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা দেবে সিসিক

কুকুরের কামড়ে মানুষের জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সিলেট নগরে চার হাজার কুকুরকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। বেওয়ারিশ কুকুরের পাশাপাশি পোষা কুকুরকেও টিকার আওতায় আনা হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নগরের ৪২টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি শুরু হবে।
সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। টিকা দেওয়ার পর প্রতিটি কুকুরকে রং দিয়ে চিহ্নিত করা হবে। এতে কোন কুকুর টিকা পেয়েছে আর কোনটি পায়নি, তা সহজে শনাক্ত করা যাবে এবং একই কুকুরকে বারবার টিকা দেওয়ার ঝুঁকি কমবে।
সোমবার বেলা ১১টায় নগরের মির্জাজাঙ্গালে জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নগরের কুকুরগুলোকে জলাতঙ্কের টিকার আওতায় আনা গেলে মানুষের মধ্যে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। এ লক্ষ্যেই প্রাথমিকভাবে চার হাজার কুকুরকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
জলাতঙ্ক একটি প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে এ রোগের জীবাণু মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। কুকুরের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক ছড়ানোর ঝুঁকি থাকায় কুকুরকে টিকা দেওয়া এ রোগ প্রতিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরের সব ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বেওয়ারিশ কুকুরের পাশাপাশি পোষা কুকুরকে অন্তর্ভুক্ত করায় টিকাদানের আওতা বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
কর্মসূচি শেষে কতটি কুকুরকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে, তা জানা যাবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণের পাশাপাশি নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা জলাতঙ্ক প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।
