logo

আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের নামে মামলা

আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের নামে মামলা
আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে হেলাল উদ্দিন সরকার। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেছেন, তাকে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে যেসব ছবি প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো এডিট করা।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় চান্দেরচর এলাকায় জামায়াতের একটি কর্মীসভাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মো. হেলাল উদ্দিন সরকার বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় বিতর্কবিষয়ক পরিচালক মো. মেহেদী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, রামকৃষ্ণপুর কলেজ শাখা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বিশাল, কৃষকদলের সহসভাপতি এবাদুল, যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদেক, যুবদলকর্মী শাকাউদ্দিন, ঢাকা আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ ও প্রবাসী বাবুসহ কয়েকজন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন বলেন, হেলাল উদ্দিন সরকার ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিমা আহমেদ মেরী এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল মজিদের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত একাধিক ছবি তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রায়হানের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাদের পরামর্শে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার বাদী হেলাল উদ্দিন সরকার। তিনি বলেন, আমাকে নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যেসব ছবি ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো সম্পাদনা (এডিট) করা। সাবেক এমপি এম কে আনোয়ারের সময় আমি ইউনিয়নের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলাম। আমি কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতি করিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) ইছমাইল বলেন, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে, তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হবে।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বলেন, ১ জুন সন্ধ্যায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ওই রাতেই মামলা নেওয়া হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব একজন কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়েছে।