ককটেল বিস্ফোরণে নিহত ২, ঘটনাস্থলে আসছেন বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের চরবাগডাঙ্গায় ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণে দুজন নিহতের ঘটনায় মরদেহ উদ্ধার এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি পুলিশ। র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মরদেহ উদ্ধারের কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বলেন, এলাকাটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট আসছেন। তারা আসার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করবেন। কোনো আলামত বা অবিস্ফোরিত কিছু আছে কি না, সেটা তারা দেখবেন। এরপরই আমরা মরদেহ উদ্ধারের আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু করব।
মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এখনো লাশের কাছে যেতে পারছি না। লাশগুলো অনেকটা বিকৃত অবস্থায় আছে। এখনো লাশের পরিচয় শনাক্ত করতে পারিনি। তাদের কাছে যেতে পারলে, তাদের মুখ দেখতে পারলে হয়তো এলাকাবাসীর সহায়তায় আমরা এটা শনাক্ত করব।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়েই এখানে উপস্থিত হয়েছি। দূর থেকে দেখা যাচ্ছে, ঘটনাস্থলে দুটি মরদেহ পড়ে আছে। আমরা যতটুকু জেনেছি, তিনজন এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের নাম পেয়েছি।
এর আগে ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণে দুজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন তিনজন। আহতরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন বাড়ির মালিক মো. আব্দুল কালাম (৪৫)। তাকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ঘটনার পর থেকেই বাড়ির মালিক আব্দুল কালাম লাপাত্তা। আমরা তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছি। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।