logo
Advertisement

আল্লাহ সহায় হলে দেড় বছরে কাটবে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট: বিমানমন্ত্রী

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ,জামালপুর
আল্লাহ সহায় হলে দেড় বছরে কাটবে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট: বিমানমন্ত্রী
জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে কথা বলেন বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ছবি : এশিয়া পোস্ট

গত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের বড় সংকটগুলোর সমাধান সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

Advertisement

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আগের সরকার শুধু সামনে দেখানোর জন্য অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পর এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র কীভাবে চলবে এবং কীভাবে গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত হবে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে এলএনজি, গ্যাসিফিকেশন, এলএনজি টার্মিনাল ও এফএসআরইউসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দরকার। কিন্তু আগের সরকার এসব অবকাঠামো গড়ে তোলেনি। ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু রাখার সময় এসে সংকট তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘ইন্টারিম গভর্নমেন্ট’ যে এফএসআরইউ ছিল, যেটির মাধ্যমে গ্যাসিফিকেশন করে বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করা হতো, সেটিও বাতিল করে গেছে। সেটি বাতিল না হলে বিদ্যুৎ সংকট কিছুটা হলেও সমাধান করা যেত বলে দাবি করেন তিনি।

বর্তমান সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দ্রুতগতিতে কাজ শুরু হয়েছে। এফএসআরইউ বসানো হবে এবং এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। এলএনজি আমদানি করলেই হবে না, সেটি নামানোর জন্য টার্মিনালও প্রয়োজন।

আগের সরকারের সমালোচনা করে মিল্লাত বলেন, এত ভঙ্গুর অবস্থায় দেশটাকে রেখে গেছে। আমার মনে হয়, দেশটাকে ধ্বংস করার জন্যই বিগত সরকার ছিল। আল্লাহ আমাদের এই ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করেছেন।

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসনে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি করতে। আল্লাহ যদি সহায় হন, তাহলে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের বড় সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারব।

এর আগে, জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় হাসপাতালের বেহাল অবস্থা দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় :