logo

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৭ মাদ্রাসায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ শিক্ষার্থী

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৭ মাদ্রাসায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ শিক্ষার্থী
শংকরবাটি হেফজুল উলুম ফায়েজা খানম কামিল মাদ্রাসা। ছবি : এশিয়া পোস্ট

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলিম পরীক্ষার ফলে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী। জেলার ২৭টি মাদ্রাসার মধ্যে শুধু একটি প্রতিষ্ঠান থেকেই এই দুজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি হলো জেলা সদরের শংকরবাটি হেফজুল উলুম ফায়েজা খানম কামিল মাদ্রাসা। জেলার বাকি ২৬টি মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শংকরবাটি হেফজুল উলুম ফায়েজা খানম কামিল মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাঁচজন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। সাধারণ বিভাগে আরও ১৭ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

জেলার একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে জিপিএ-৫ পাওয়া দুই শিক্ষার্থীই নিজেদের প্রতিষ্ঠানের হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে গোটা জেলায় মাত্র দুজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এই দুজনই আমার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। আমি খুবই আনন্দিত। তবে প্রতিষ্ঠানের ফলাফল আরও ভালো হবে বলে প্রত্যাশা ছিল। আশা করছি, আগামীতে আরও ভালো ফল হবে।

অন্যদিকে, জেলার বাকি ২৬টি মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কামিল মাদ্রাসা থেকে ৪২ জন, কানসাট সাইফুদ্দীন মেমোরিয়াল ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩৬ জন এবং শিবগঞ্জ কামিল মাদ্রাসা থেকে ৪১ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। প্রতিষ্ঠান তিনটির পাসের হার যথাক্রমে ৭৩ দশমিক ৬৮, ৭২ ও ৫৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

জেলার কয়েকটি মাদ্রাসায় পাসের হারও বেশ কম। জেলা সদরের ঝলঝলিয়া ইসলামী সমাজকল্যাণ আলিম মাদ্রাসায় ১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০ শতাংশ।

এ ছাড়া বরধাই চন্দপুর বাইলকাপাড়া আলিম মাদ্রাসায় পাসের হার ১৬ শতাংশ, তেলকুপি কলমদার আলিম মাদ্রাসায় ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, গোয়ালবাড়ি দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসায় ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং খালে আলমপুর দারুস সুন্নাত আলিম মাদ্রাসায় ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ।

পরীক্ষার সার্বিক ফলাফল সম্পর্কে জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন সুলতানা বলেন, এবার সারা দেশেই শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারেননি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাও এর ব্যতিক্রম নয়।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করে কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করা হবে। ঘাটতিগুলো শনাক্ত করে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামীতে আরও ভালো ফল অর্জনের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রবিউল ইসলাম

সম্পাদনা

রবিউল ইসলাম

সাব এডিটর | এশিয়া পোস্ট