ঝালকাঠিতে অবৈধ ইটভাটা ও ৫০টি কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় পরিবেশদূষণ রোধে যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইটভাটার চিমনি ও চুলা এবং কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির পাজা ধ্বংস করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলার বড় কাঁঠালিয়া ও ১ নম্বর চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের বানাই গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় এমবিএফ মনিরা ব্রিকফিল্ডের ১২০ ফুট উচ্চতার চিমনি ও ইট তৈরির চুলা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বানাই গ্রামের বাকার খালের পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ৫০টি চুল্লিও ধ্বংস করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাঁঠালিয়া উপজেলার ১ নম্বর চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের বানাই গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন রবিউল ইসলাম, রাসেল ও সাবেক ইউপি সদস্য ফারুক। তারা স্থানীয় গাছের কাঠ পুড়িয়ে অবৈধভাবে কয়লা তৈরি করে ব্যবসা চালাতেন।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাঁঠালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমি রানী বল, ঝালকাঠি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আঞ্জুমান নেছা এবং বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল মাহমুদ।
ঝালকাঠি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আঞ্জুমান নেছা বলেন, কাঁঠালিয়ার বড় কাঁঠালিয়া এলাকায় এমবিএফ মনিরা ব্রিকফিল্ডের অবৈধ ১২০ ফুট উচ্চতার চিমনি ও ইট তৈরির চুলা ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের বানাই গ্রামে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকরভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির অবৈধ পাজাগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রম পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় আইন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ১২০ ফুট উচ্চতার যেসব অবৈধ ইটভাটার চিমনি রয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধেও পর্যায়ক্রমে অভিযান চালানো হবে। পরিবেশদূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।