জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সংসদের নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা।
শ্রদ্ধা জানানো শেষে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন তারা।
এরপর শেরে-বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আহ্বানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে সংসদীয় নেতা তারেক রহমান সভাপতিত্ব করার জন্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা। বিরোধী দলের সদস্যরাও এতে সমর্থন জানান। পরে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
তার সভাপতিত্বে স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম স্পিকার হিসেবে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম। পরে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি পাস হলে হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার নির্বাচিত হন।
এদিকে ডেপুটি স্পিকার পদে কায়সার কামালের নাম প্রস্তাব করেন নাটোরের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।
পরে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হলে কায়সার কামাল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। উদ্বোধনী অধিবেশনে দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পড়ান।