logo
Advertisement

হাতিয়ায় একই স্কুলে ১০ দিনে ৩ বার শিক্ষার্থী অসুস্থ, এবার ৯ জন

হাতিয়ায় একই স্কুলে ১০ দিনে ৩ বার শিক্ষার্থী অসুস্থ, এবার ৯ জন
বিদ্যালয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া এক শিক্ষার্থীকে স্যালাইন দেওয়া অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন স্বজনেরা। ছবি : এশিয়া পোস্ট

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবারও ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটল তিনবার।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের নিয়ে একটি সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে পুরো বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়ে ছুটে যান হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে ১৪ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও ২১ শিক্ষার্থী। তাদেরকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হলে শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। এভাবে পরপর তিনবার শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন জানান, ৫-৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, ৯ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে শিক্ষার্থীরা বারবার অসুস্থ বা অজ্ঞান হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে প্রশাসন।