logo
Advertisement

সাংবাদিক পরিচয়ে বাসায় ঢুকে ভিডিও, পরে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি

এশিয়া পোস্ট নিউজ,চট্টগ্রাম
সাংবাদিক পরিচয়ে বাসায় ঢুকে ভিডিও, পরে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি
গ্রেপ্তার শাখাওয়াত হোসেন ও মো. মঈনুদ্দীন। ছবি : এশিয়া পোস্ট

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর এলাকায় সাংবাদিক ও পুলিশ পরিচয়ে এক নারীর বাসায় ঢুকে চাঁদাবাজি, শ্লীলতাহানি ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের সহায়তায় এ ঘটনায় জড়িত দুজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে হালিশহর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

Advertisement

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন—শাখাওয়াত হোসেন ও মো. মঈনুদ্দীন। অন্যদিকে পলাতক তিনজন হলেন মো. জাহিদ, মো. মোস্তাফিজ ও বাবুল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হালিশহরের শান্তিরহাট এলাকার একটি আবাসিক ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম (৫৩) ও তার দুই ছেলের বউ ঘরে থাকা অবস্থায় আসামিরা জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশ করে। তাদের কাছে ওয়াকিটকি, ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়পত্র ও ভিডিও ক্যামেরা ছিল। বাসায় অসামাজিক কাজ চলছে—এমন মিথ্যা অভিযোগ এনে তারা বৃদ্ধা ও তার পুত্রবধূদের ছবি-ভিডিও ধারণ করতে শুরু করে এবং নিজেদের পুলিশ ও সাংবাদিক পরিচয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা আলমারি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করে। একপর্যায়ে আনোয়ারা বেগমকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে শ্লীলতাহানি ঘটায়। ভুক্তভোগীদের চিৎকারে আশপাশের বাসিন্দারা এগিয়ে এলে আসামিরা একই ধরনের হুমকি দিতে থাকে। পরে ভুক্তভোগী পরিবার জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ শাখাওয়াত ও মঈনুদ্দীনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ব্যবহৃত ওয়াকিটকি ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়।

হালিশহর থানার ওসি জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।