logo
Advertisement

ওয়াশরুমের কথা বলে পালান কর্মচারী, পরে দেখা যায় ৯৯ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব

এশিয়া পোস্ট নিউজ, চট্টগ্রাম
ওয়াশরুমের কথা বলে পালান কর্মচারী, পরে দেখা যায় ৯৯ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব
উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের চুড়ি। ছবি: এশিয়া পোস্ট

চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক মোড়সংলগ্ন মিমি সুপার মার্কেটের ‘নিউ কনক বাহার জুয়েলার্স’-এ দীর্ঘ ১২-১৩ বছর ধরে কাজ করতেন রোমেন দে। দোকানের সোনার চুড়িগুলো ছিল তার তত্ত্বাবধানে। কিন্তু সুযোগ বুঝে সোনার সেই চুড়িগুলো সরিয়ে সেখানে ইমিটেশনের চুড়ি রেখে দেন।

Advertisement

গত ১৪ আগস্ট দুপুরে দোকানের মজুত হিসাব মেলাতে গিয়ে অসঙ্গতি দেখতে পান প্রতিষ্ঠানের মালিক বিপ্লব বসাক। বিষয়টি টের পেয়ে রোমেন দে নিজেকে বাঁচাতে ওয়াশরুমে যাওয়ার কথা বলে দোকান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে পুরো হিসাব মিলিয়ে দেখা যায়, আসল সোনার চুড়ি গায়েব করে সেখানে ইমিটেশনের চুড়ি রেখে গেছেন রোমেন। সব মিলিয়ে গায়েব করা হয়েছিল ৯৯ ভরি ৪ আনা ৫ রতি ওজনের ৫৫ পিস সোনার চুড়ি।

ঘটনার পর পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হলে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা গত ১৮ আগস্ট সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা থেকে রোমেন দে-কে গ্রেপ্তার করেন এবং তিন দিনের রিমান্ডে নেন।

রিমান্ডে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বাকলিয়া ও বোয়ালখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় তার সহযোগী শ্যামল সিংহকে। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের সূত্রে বাকলিয়া, চকবাজার ও কোতোয়ালি থানা এলাকার বিভিন্ন সোনার দোকান ও বন্ধকী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আত্মসাৎ করা পুরো সোনা উদ্ধার করে পুলিশ।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে আত্মসাৎকৃত সোনা উদ্ধারের পাশাপাশি এই চক্রের মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলেন—জয় দে ওরফে বাবু, রনি দে, স্বপ্না দে ও ইমন দে।

পাঁচলাইশ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শওকত ইমাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।