logo

যুবদল নেতাকে না পেয়ে বাড়িতে লুটের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

যুবদল নেতাকে না পেয়ে বাড়িতে লুটের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জানে আলমকে খুঁজতে গিয়ে না পেয়ে তার বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তোলেন জানে আলমের স্ত্রী শারমিন আক্তার।

তবে পুলিশ বলছে, তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকায় তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পুলিশকে বিব্রত করতেই এমন অভিযোগ করা হচ্ছে এমনটাই দাবি তাদের।

লিখিত বক্তব্যে শারমিন আক্তার বলেন, শুক্রবার বিকেলে রাউজান থানা পুলিশের পরিচয়ে একদল লোক আমার স্বামী জানে আলমকে আটকের অজুহাতে আমাদের ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। এই সুযোগে পুলিশ ঘরের আলমিরা ও শোকেস ভেঙে নগদ ৭০ হাজার টাকা, দুই জোড়া স্বর্ণের কানের দুল ও দুটি দামি স্মার্টফোন লুট করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্রও ভাঙচুর করে।

তিনি আরও বলেন, সংবাদ পেয়ে বাড়িতে ফিরে ঘরের জিনিসপত্র তছনছ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী না পেয়ে বিষয়টি জানতে চান পুলিশ পরিচয়ধারী ব্যক্তিদের কাছে। কিন্তু তারা কোনো সদুত্তর না দিয়ে চলে যান।

শারমিনের ভাষ্য, ‘আমার স্বামীকে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এখন আমাদের পরিবারও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে।’ এভাবে নির্যাতন, হয়রানি ও ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবি জানান তিনি।

রাউজান উপজেলা যুবদলের সভাপতি এম শাহজান সাহিল জানান, তিনি কদলপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জানে আলমের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি ও লুটপাটের বিষয়টি জানতেন না। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে, তা নিন্দনীয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, যুবদল নেতা জানে আলমের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ডাকাতি, দুইটি অস্ত্র আইনে, দুটি ডাকাতির প্রস্তুতি, একটি ধর্ষণ মামলাও আছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানে আলমের বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম জানান, সংবাদ সম্মেলনে করার অধিকার তাদের রয়েছে। কিন্তু পুলিশের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন। জানে আলমের বিরুদ্ধে থানায় ১১টি মামলা রয়েছে। তাকে আটক করতে ও অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশ ঘরে তল্লাশি চালিয়েছে। এ সময় স্থানীয় লোকজনকে সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছিল।