logo

কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ইউপি সদস্যকে অপহরণ

কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ইউপি সদস্যকে অপহরণ

কক্সবাজারে রামুতে গাড়ি থামিয়ে অস্ত্রের মুখে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যকে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় সঙ্গে থাকা গাড়ির চালক ও এক ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল ও নগদ টাকা লুটের পর মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের পানেরছড়া ঢালা নামক এলাকায় ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে এ ঘটনা ঘটে। অপহৃত রুস্তম আলী ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং ইউনিয়নের পরানিয়া পাড়ার মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে। 

ঈদগড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খোরশেদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীসহ স্থানীয়দের বরাত দিয়ে এসআই খুরশেদ আলম বলেন, সকালে ঈদগাঁও স্টেশন থেকে একটি জীপগাড়িতে চালক ও এক ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে রুস্তম আলী বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তারা পানেরছড়া ঢালা নামক এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত একদল দুর্বৃত্ত অস্ত্র দেখিয়ে গাড়িটি থামায়। এ সময় গাড়িতে থাকা সবাইকে মারধর করে মোবাইল ও নগদ টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। অস্ত্রের মুখে জিন্মি করে ইউপি সদস্য রুস্তম আলীকে দুর্বৃত্তরা তুলে নিয়ে গেলেও চালকসহ অপর ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়।

পুলিশের ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেন, ইউপি সদস্যের সঙ্গে থাকা দুই ব্যক্তি এলাকায় ফিরে ঘটনাটি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ঘটনাটি কারা, কী কারণে সংঘটিত করেছে তা নিশ্চিত হয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং অপহৃত ইউপি সদস্যকে উদ্ধারে পুলিশ তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলে জানান খুরশেদ আলম।

অপরদিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে রাবার বাগানের তিন শ্রমিককে অপহরণ করেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে বাইশারী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল করিম বান্টুর মালিকানাধীন রাবার বাগানের স্টাফ ঘর থেকে তাদের অপহরণ করা হয়।

অপহৃতরা হলেন- এনামুল হক, মোহাম্মদ হাসান ও নুরুল ইসলাম। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনজনই কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাসিন্দা। তারা রাবার বাগানে শ্রমিকের কাজ করতেন।

রাবার বাগানের মালিক আব্দুল করিম বান্টু বলেন, অপহৃতরা দুই-তিন বছর ধরে তার মালিকানাধীন রাবার বাগানে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে ১০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মুক্তিপণ দাবি করেনি অপহরণকারী চক্র।

বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তিনি দাবি করেন, বাইশারীর পাহাড় এখন অরক্ষিত। সেনা ক্যাম্প স্থাপন ছাড়া অপরাধ নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব।