Advertisement

তিন মার্ডার ডাকাতি নাকি পূর্ব বিরোধে, খতিয়ে দেখছে পুলিশ: এসএমপি কমিশনার

এশিয়া পোস্ট নিউজ, সিলেট
তিন মার্ডার ডাকাতি নাকি পূর্ব বিরোধে, খতিয়ে দেখছে পুলিশ: এসএমপি কমিশনার
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। ছবি: এশিয়া পোস্ট

সিলেট মহানগরের রায়নগর আবাসিক এলাকার ‘মিতালী ১১১’ নম্বর বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও কাজের মেয়ের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।

Advertisement

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের পুলিশ কমিশনার বলেন, ঘটনাটি ডাকাতি, নাকি এর পেছনে পারিবারিক শত্রুতা বা পূর্ববিরোধ রয়েছে—তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসাটির ওয়ারড্রোব ও আলমারিগুলো খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। সেখান থেকে স্বর্ণালংকার বা মূল্যবান কোনো জিনিসপত্র খোয়া গেছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে একটি দলিল পাওয়া গেছে, সেটিকেও আমরা তদন্তের আওতায় রাখছি।

ক্রাইম সিনে কোনো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে এসএমপি কমিশনার বলেন, মরদেহগুলোতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে আপাতত ঘটনাস্থলে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি। তাদের কীভাবে আঘাত করা হয়েছে, তা সিআইডির ফরেনসিক টিম খতিয়ে দেখছে।

পুলিশ কীভাবে ঘটনার খবর জানতে পারল—সে বিষয়ে তিনি জানান, বুধবার সকালে স্থানীয় এক বাসিন্দা তাকে ফোন করে বাসাটির দরজা বন্ধ থাকা এবং দরজার নিচ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে বের হওয়ার কথা জানান। খবর পেয়েই তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের বিশেষ দল সেখানে পাঠানো হয়।

পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম আশা প্রকাশ করে বলেন, রহস্য উদ্‌ঘাটনে আমাদের টিম কাজ করছে। খুব দ্রুতই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি সেখানে উপস্থিত পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন ও সার্বিক খোঁজখবর নেন।