logo

সেন্টমার্টিন ভ্রমণে সময় বাড়ল, পর্যটকদের জন্য নতুন নিয়ম

সেন্টমার্টিন ভ্রমণে সময় বাড়ল, পর্যটকদের জন্য নতুন নিয়ম
সেন্টমার্টিন। ছবি : ফেসবুক থেকে পাওয়া

প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমণের সময়সীমা ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত দ্বীপটিতে যেতে পারবেন পর্যটকরা। এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া দ্বীপে যাওয়া প্রত্যেক পর্যটককে দিতে হবে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে পরিবেশগত সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক যাতায়াতসংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত নিয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ১৫ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত পর্যটকরা দ্বীপটিতে যাতায়াত করতে পারবেন। এ সময়ে প্রতিদিন পর্যটকের সংখ্যা গড়ে ৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি হবে না।

পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা ফি দিতে হবে। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ইকোসিস্টেম ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ২৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনার অন্যান্য শর্ত বহাল থাকবে।

ওই নির্দেশনা অনুযায়ী, জাহাজের টিকিট কাটার সময় অনলাইন নিবন্ধন অথবা কিউআর কোডযুক্ত ট্রাভেল পাস থাকা বাধ্যতামূলক। নভেম্বর মাসে দ্বীপে রাত্রিযাপন করা যাবে না। ডিসেম্বর থেকে রাত্রিযাপনের সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া দ্বীপে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক—যেমন প্লাস্টিকের ব্যাগ ও বোতল বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ। সমুদ্রসৈকতে রাতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দে গান বাজানো, বারবিকিউ করা এবং যান্ত্রিক মোটরযান চালানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াতেও বিধিনিষেধ রয়েছে।

তবে মন্ত্রণালয়ের চিঠিটি রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়নি বলে জানা গেছে।