সাভারে ঘিরে রাখা সেই বাড়িতে কী আছে?

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় চারতলা একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট ও সাভার মডেল থানা পুলিশ।
বাড়িটিতে বিস্ফোরক নিয়ে সন্ত্রাসী তৎপরতা চলছে- এমন অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে অভিযান শুরু করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে এখনও অভিযান চলছে। অভিযানে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামপুর এলাকার একটি জলজটযুক্ত সড়কের পাশে অবস্থিত চারতলা ভবনটিতে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের অবস্থান ও বিস্ফোরক মজুদের খবর পেয়ে প্রথমে সিটিটিসি সদস্যরা অবস্থান নেন। পরবর্তীতে তাদের সাথে যুক্ত হয় পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সাভার মডেল থানা পুলিশ। সার্বিক নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সংবাদকর্মী ও সাধারণ পথচারীদের ভবনটির চারপাশ থেকে সরিয়ে নিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ভবনটির ভেতর থেকে কয়েকটি ককটেল ও বোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাতে শ্যামপুর এলাকায় আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন একটি বাড়ি ঘিরে রাখা হয়। সেখানে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছিল বলে তথ্য ছিল। ওই বাড়ি থেকে ইতিমধ্যে পাঁচটি প্রস্তুতকৃত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
সিটিটিসি ইউনিটের যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন জানান, মতিঝিল ও আশুলিয়ার ঘটনার তদন্তে দুজনকে শনাক্ত করা হয়। তাদের মধ্যে একজন আরিফ এবং অন্যজন মূলহোতা বোমারু মামুন।
তিনি আরও জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকার আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন বাড়ি ঘিরে রেখে অভিযান শুরু করে পুলিশ। সেই বাড়ি থেকেই বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল ও বিস্ফোরকদ্রব্য জব্দসহ আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং মূলহোতা বোমারু মামুনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
.png)


