logo

আশুলিয়ায় ঝুট গোডাউনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে বাসাবাড়িতে

আশুলিয়ায় ঝুট গোডাউনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে বাসাবাড়িতে
আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার ঝুট গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: এশিয়া পোস্ট

আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার ঝুট গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট।

শুক্রবারের (৯ অক্টোবর) রাত পৌনে দশটার দিকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ভয়াবহ আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি গোডাউনের আশপাশের বেশ কিছু বসতবাড়ি ও কলোনিতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে স্থানীয় লোকজন নিজেদের উদ্যোগে পানি ও বালু দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। তবে আগুনের তীব্রতায় এলাকার কয়েকটি কলোনি ও আবাসিক ভবনের আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে বাইপাইল থেকে জামগড়া পর্যন্ত সড়কে তীব্র যানজটের কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলো সময়মতো পৌঁছাতে কিছুটা বেগ পায়। খবর পেয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। জিরাবো ফায়ার স্টেশন থেকে ৩টি কাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া ইপিজেড ফায়ার স্টেশন থেকে ২টি ইউনিট পথে রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত গোডাউন মালিক মো. ইমন জানান, ওই এলাকায় মোট ১৭টি গোডাউন ও দোকান ছিল। এর মধ্যে বাম পাশের ৩-৪টি গোডাউন আংশিক রক্ষা পেলেও বাকি সবকটি গোডাউন ও দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনে ঝুট, প্যান্টের কাপড়, গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ ও বিভিন্ন ধরনের মালামাল সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে।

এ বিষয়ে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাবুদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সাঙ্গেই ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও গোডাউনে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে কিছুটা সময় লেগেছে।

আশুলিয়া জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এসআই) আবু তালেব জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ শুরু করে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে রাখতে সচেষ্ট ছিল। তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। প্রায় ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলা চলে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।