বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থককে মারধর বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর এক সমর্থককে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত অবস্থায় তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে চাইলে হামলাকারীদের বাধার মুখে তা সম্ভব হয়নি। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুঠিয়ার বিড়ালদহ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আহসান হাবীব স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক শিমুলের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক ছিলেন।
আহসান হাবীবের দাবি, তিনি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক শিমুলের ঘোড়া প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন। শিমুল বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী। আর বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে প্রচারের কারণে ধানের শীষের সমর্থকরা তাকে মেরে আহত করেছেন। হাবীবের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতে চিহ্ন রয়েছে।
আহসান হাবীব বলেন, শনিবার দুপুরে তিনি বিড়ালদহ বাজারে বাজার করছিলেন। এ সময় তার গ্রামের ধানের শীষের সমর্থক রশিদ দলবলসহ দেশি অস্ত্র নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে গালাগালি করেন। তারা বলেন, ‘তুই শিমুলের ঘোড়ার হয়ে ভোট করেছিস, আজ তোকে জানে মেরে ফেলব।’
এ সময় রশিদের ছেলে রাসেল প্রথমে লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। তিনি মাথায় হাত দিলে তার ডান হাতের মাঝের দুটি আঙুল ভেঙে যায়। এরপর আজাদ, শাকিল, মারুফ, লাল্টু, ইমনসহ অন্যরা রড, লাঠি ও হকিস্টিক দিয়ে তাকে পেটান। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা পাশের পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে চাইলে হামলাকারীরা বাধা দেন। পরে তাকে রামেক হাসপাতলে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত রশিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। আর রাজশাহী-৫ আসনের ধানের শীষের বিজয়ী প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।