মেয়ের বিয়ের ১২ দিন পরই মায়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার ঝাউতলা এলাকায় একটি বাসা থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত গৃহবধূ সাথী (৩৮) ওই এলাকার বাসিন্দা মো. জনির স্ত্রী। নিহত সাথী ও তার স্বামী জনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। জনি পেশায় একজন সেলুন কর্মচারী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঝাউতলা এলাকার একটি বাসায় এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ফ্ল্যাট থেকে সাথীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনার পর পলাতক জনিকে অভিযান চালিয়ে আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের স্বজনদের বরাতে পুলিশ আরও জানায়, মাত্র ১২ দিন আগে সাথীর মেয়ের বিয়ে হয়েছে। এ ছাড়া তার ১৬ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে, যে স্থানীয় এলাকায় কাজ করে।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আটক জনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।



