গ্রাহকদের ওপর পাম্প কর্মচারীদের হামলা

নাটোর শহরে গ্রাহকের ওপর হামলা করেছেন রহিম ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা। এতে অন্তত দুই গ্রাহক আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় তেল সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল বিতরণ শুরু হয়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই তেল পাননি। বিকেল ৫টার দিকে পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা দিলে অপেক্ষমাণ গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা পাম্পসংলগ্ন ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয় এবং প্রায় আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তেল সরবরাহ পুনরায় চালুর আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন গ্রাহকরা। অবরোধ প্রত্যাহারের পর পাম্প কর্তৃপক্ষ পুনরায় তেল সরবরাহে অস্বীকৃতি জানালে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। এ সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাম্পকর্মীরা স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে গ্রাহকদের মারধর করে। এতে দুইজন গ্রাহক আহত হন।
রহিম ফিলিং স্টেশনের মালিকের ছেলে ও পরিচালক সাকিব বলেন, অনেকেই ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল নেওয়ার চেষ্টা করেন। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও কিছু বাইকার তেল নিতে চাপ দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তেল না পেয়ে তারা সড়ক অবরোধ করেন। একপর্যায়ে এক বাইকার উপস্থিত এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে অশালীন ভাষায় কথা বললে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
নাটোর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ফিলিং স্টেশনটি সড়কের পাশে হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই সেখানে রাস্তায় ভিড় হয়। নির্ধারিত সময়ের পর তেল নিতে চাওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।