বরিশালে গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা, গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এক নির্বাচনি সভায় বরিশাল-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তারা জামায়াতে যোগদান করেন।
গৌরনদী উপজেলার সরিকল তালিমুল কুরআন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে এ নির্বাচনি সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, গৌরনদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. আল-আমীন, সেক্রেটারি বায়জিদ শরীফ।
নির্বাচনি সভার শুরুতে গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, সহসভাপতি ওয়াসিম খান, নুরুল ইসলাম সেরনিয়াবাত, শহিদুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আগৈলঝাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহিদ খান, যুব অধিকার পরিষদের আগৈলঝাড়া শাখার সভাপতি সাইদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক উজ্জ্বল খান, যুব অধিকার পরিষদের নেতা সফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনি সভায় সদ্য সাবেক গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন বলেন, বাংলাদেশে একটি পরিবর্তনের রাজনীতির আশায় আমরা এতদিন গণঅধিকার পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু দেশে নির্বাচনি আবহ তৈরির পর দেখলাম আমাদের সেই আশা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। কারণ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যে রাজনৈতিক দল দেশে লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ সন্ত্রাসীর রামরাজত্ব কায়েম করেছে, সেই দলের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারা হাত মিলিয়েছে। বিষয়টি আমাদের ভাবিয়ে তোলায় আমরা একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছি।