বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমান: দুলু

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বাকশালের অবসান ঘটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় এ কথা জানান তিনি।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে দেশের মানুষ তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে ম্যান্ডেট দিয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য তারেক রহমান যখন ফাইট করছেন, ঠিক তখনই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা আবার চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। নতুন করে শুরু করেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র।
জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নিয়ে মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, সংবাদপত্রের টুঁটি চেপে ধরে মাত্র চারটি পত্রিকা রেখে অবশিষ্টদের ডিক্লারেশন বাতিলের মাধ্যমে দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নিয়ে সব সংবাদপত্র খুলে দিয়েছিলেন। মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
এ দেশে গণতন্ত্র বারবার হোঁচট খেয়েছে মন্তব্য করে দুলু বলেন, যতবার হোঁচট খেয়েছে ততবার জিয়া পরিবার বাকশাল, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টের হাত থেকে দেশকে উদ্ধার করেছে। যখনই গণতন্ত্র বিপন্ন হতে গেছে, তখনই তারেক রহমান ত্রাণকর্তা হিসেবে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, জেলা বিএনপির সদস্য ও বনপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ এম লুৎফর রহমান, কাজী শাহ আলম প্রমুখ।
