logo

জব্দ করা পেট্রোল নিয়ে গেলেন ইউএনও

জব্দ করা পেট্রোল নিয়ে গেলেন ইউএনও

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় অতিরিক্ত দামে বিক্রি করার অভিযোগে ৩৯৫ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করে একটি ড্রামভর্তি পেট্রোল নিয়ে গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান। ঘটনার একটি ভিড়িও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার (২৭ মার্চ) উপজেলার বিনসাড়া বাজারে মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি দোকনে অভিযান চালান ইউএনও নুসরাত জাহান। অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের মালিক শাহ আলম মোল্লাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি থেকে দুটি ড্রামে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করেন ইউএনও। এর মধ্যে একটি ড্রামের পেট্রোল বিক্রি করা হয়, আরেকটি ইউএনও নিয়ে গেছেন। 

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ-সংক্রান্ত ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, বিনসাড়া বাজারে জব্দকৃত এক ড্রাম পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে বিক্রি করা হয়েছে। আরেক ড্রাম ইউএনও স্যার নিয়ে যাচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, দুই ড্রাম পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে আসেন নুসরাত ম্যাডাম। তিনি জনপ্রতি এক লিটার করে এক ড্রাম বিক্রি করেন। আরেক ড্রাম মান্নাননগর মটর শ্রমিক ফিলিং স্টেশনে বিক্রির কথা বলে নিয়ে যান।

বিনসাড়া বাজারে মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহ আলম মোল্লা বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আমাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করেন ইউএনও। অথচ আমাকে শুধু জরিমানা আদায়ের রসিদ দেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত পেট্রোলের কোনো কাগজ দেওয়া হয়নি। রাত ১১টার দিকে তেলের খালি ড্রাম ফেরত দিয়ে গেছেন তারা।

জব্দ করা জ্বালানি কি করা হয়েছে–এমন প্রশ্নে ইউএনও নুসরাত জাহান বলেন, ‘এগুলো বিক্রি করে যে টাকা হয়েছে, সেটা সরকারিভাবে জমা দেওয়া হয়েছে।’ জব্দকৃত পেট্রোল কত টাকায় বিক্রি করেছেন– জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন টাকার পরিমাণটা বলতে পারছি না।’