logo

নদীভাঙন রোধে ৬০৫ কোটি টাকার প্রকল্প, ভোলাবাসীর উচ্ছ্বাস

নদীভাঙন রোধে ৬০৫ কোটি টাকার প্রকল্প, ভোলাবাসীর উচ্ছ্বাস
ভোলা সদর উপজেলায় মেঘনা নদীতে ভাঙনের চিত্র। সম্প্রতি তোলা। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ভোলায় নদীভাঙন রোধে ৬০৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এ খবর পেয়ে জেলার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তারা বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ভোলা-১ (সদর) আসনের সাংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার শিবপুর, ধনিয়া ও মেদুয়া এলাকা রক্ষায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

নদীতীর সংরক্ষণ ও ভাঙন রোধে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা। কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।

প্রকল্পের আওতায় চার কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ছয় কিলোমিটার বাঁধ সংরক্ষণ এবং তিন দশমিক ৫৫ কিলোমিটার বাঁধের ঢাল সংরক্ষণ করা হবে। পানি নিষ্কাশন ও পানি নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত আরও দুটি কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

দীর্ঘ দিনের নদীভাঙন থেকে রক্ষা পেতে বড় প্রকল্প অনুমোদনের খবরে শিবপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের মধ্যে আনন্দ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

ভোলার নদীভাঙন রোধে প্রকল্প অনুমোদনের খবরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতারা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন ও সাধারণ সম্পাদক মোতাছিন বিল্লাহ বক্তব্য দেন।

বিজেপির জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন বলেন, ভোলার নদীভাঙন রোধে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ কাজ করে যাচ্ছেন। এ প্রকল্প অনুমোদন ভোলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণ সম্পাদক মোতাছিন বিল্লাহ বলেন, ভোলার মানুষের সুচিকিৎসার জন্য দ্রুত মেডিকেল কলেজ স্থাপনের বিষয়েও ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ কাজ করছেন। ভোলাকে মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরনবী, জেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য আব্দুস সাত্তার কবির, সদর উপজেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বুলবুল হোসেন, জেলা যুব সংহতির যুগ্ম আহ্বায়ক সর্দার কামাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির নেতা সুজন হাওলাদার ও জাতীয় ছাত্রসমাজ ভোলা জেলার সদস্যসচিব মোহাম্মদ হোসেনসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

প্রকল্পের বিষয়ে ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডিভিশন-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দীন আরিফ বলেন, নদীভাঙন রোধে এটি একটি বড় প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের বসতভিটা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীভাঙনের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে।