অবৈধ প্রবেশপথ বন্ধে এবার মিয়ামী রিসোর্টের সামনে খাল খনন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় মিয়ামী লেইজার রিসোর্টের ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ সরাসরি প্রবেশপথ বন্ধে এবার খাল খনন করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। এর আগে মহাসড়কের নিরাপত্তা রক্ষায় সওজ নির্মিত সরকারি দেয়াল ভেঙে পুনরায় রিসোর্টে প্রবেশের পথ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে রিসোর্টের প্রবেশপথের ঠিক সামনে এ খাল খনন করা হয়। এর ফলে মহাসড়ক থেকে সরাসরি রিসোর্টে যানবাহন প্রবেশের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে সরাসরি মিয়ামী লেইজার রিসোর্টে যাতায়াতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ওই স্থানে মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। ইতিপূর্বে একটি দুর্ঘটনার পর সওজ বিভাগ উদ্যোগ নিয়ে প্রাচীর দিয়ে পথটি বন্ধ করে দেয়। তবে পরবর্তীতে সেই দেয়াল ভেঙে আবারও সরাসরি যাতায়াতের পথ চালু করা হলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সড়ক বিভাগের নির্মিত প্রতিবন্ধকতা ভেঙে ফেলার পর এবার রিসোর্টটির সামনে খাল খনন করায় যাতায়াত স্থায়ীভাবে বন্ধ হলো।
স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলী ও রিয়াজ জানান, মহাসড়কের নিরাপত্তার স্বার্থে এই ঝুঁকিপূর্ণ পথটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা জরুরি ছিল। সওজের এই পদক্ষেপে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। তবে মহাসড়কের অন্যান্য অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রবেশপথগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সওজের নিয়মিত নজরদারি জোরদার করার দাবি জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিয়ামী লেইজার রিসোর্টের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া দেয়াল ভাঙার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমরা এটি ভাঙিনি। কারা এটি করেছে তা আমাদের জানা নেই।
কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা জানান, কেবল দেয়াল তুলে প্রবেশপথ বন্ধ করলে তা পুনরায় ভেঙে ফেলার আশঙ্কা থেকে যায়। তাই স্থায়ী সুরক্ষার স্বার্থে এবার সেখানে খাল খনন করা হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই আর যানবাহন ভেতরে না ঢুকতে পারে।



