logo

দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় মায়েদের অপমান করা হচ্ছে : জামায়াত আমির 

দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় মায়েদের অপমান করা হচ্ছে : জামায়াত আমির 

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মায়েদের অপমান আমরা সহ্য করব না। যদি দুর্বৃত্তরা আপনাদের কটু কথা বলে, চোখে চোখ রেখে বলবেন, আমি মা, আমি তোমাদের পরোয়া করি না। আমি পরোয়া করি একমাত্র আল্লাহকে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামালপুর শহরের সিংহজানী স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় মায়েদের অপমান করা হচ্ছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, কোনো কোনো জায়গায় মায়েরা ভোট চাইতে গেলে অপমান করছে দুর্বৃত্তরা। আমাদের মায়েদের কী এই অধিকার নেই? তাদের কী এই দায়িত্ব নেই। যারা মায়ের গায়ে হাত তুলে, তারা কোন প্রজাতির? আমি বুঝতে পারি না। এরা কী মানুষ প্রজাতির, না কী অন্য প্রজাতির? এই কয়দিন ধরে উৎপাত শুরু হয়েছে। আমরা চাই সবার যার যার কর্মসূচি, পরিকল্পনা, বক্তব্য নিয়ে জনগণের কাছে যাক। 

তিনি বলেন, কিছু দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের ব্যাপারে স্বস্তির সঙ্গে কিছু বলতে চান না। আমরা তাদের কাছে বিনয়ের সঙ্গে জানতে চাই, আমরা যেভাবে ১৮ কোটি মানুষের সামনে গিয়ে, সব জায়গায় সবসময় বলছি, সংস্কারে ‘হ্যাঁ’ ভোট, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট। আপনারা ‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ সেটি ভালো করে বলেন। আস্তে আস্তে লুকিয়ে লুকিয়ে বলেন কেন? আমরা তাদের কাছে বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই লুকিয়ে নয়, প্রকাশ্যে বলার আহ্বান জানান।

এবারের নির্বাচনকে বাক-পরিবর্তনের নির্বাচন উল্লেখ করে ড. শফিকুর রহমান বলেন, ‍‍‍‍এই নির্বাচন অতীতের ৫৪ বছরে যে ফ্যাসিবাদ তৈরি করেছে, সেই বস্তাপচা রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন। এবারের নির্বাচন ২৬ সালের নির্বাচন। এই নির্বাচন ১৪০০ শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন, এই নির্বাচন আন্দোলনে পঙ্গুত্ববরণ করা ৩৪ হাজার আহতের নির্বাচন। এই নির্বাচন শহীদ পরিবারের হাহাকারের নির্বাচন।

সবশেষে জামায়াত আমির বলেন, আমাদের দলের ৬২ ভাগ যুবক। আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দিয়ে অপমানিত করতে চাই না। আমরা বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেব। সবশেষ তিনি জামালপুর জেলার ৫টি আসনের দলীয় প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।  

জামালপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল আওয়ালের সঞ্চালনায় ও সদর-৫ আসনের এমপি প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সেক্রেটারি ড. ছামিউল হক ফারুকী, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদসহ জেলা ও কেন্দ্রীয় জামায়াতের নেতারা।