logo

ডাকসু নিয়ে মন্তব্য করা জামায়াতের সেই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আবেদন

ডাকসু নিয়ে মন্তব্য করা জামায়াতের সেই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আবেদন

নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে বরগুনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মো. আফরোজ নামের এক ব্যক্তি। 

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ১১০ সংসদীয় এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে এই আবেদন করা হয়।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ জানুয়ারি পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালী এলাকায় জামায়াত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি জনসভার মঞ্চে কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসান ডাকসু নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। 

তার এসব বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ সারা দেশের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, এমন বক্তব্য সারা দেশের নির্বাচনি পরিবেশ উত্তপ্ত করে তোলে এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে, যা নির্বাচনি আচরণবিধি-১৫ এর লঙ্ঘন।

এছাড়াও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হয়েও নির্বাচনি জনসভায় অংশ নিয়ে মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ায় নির্বাচনি আচরণবিধি-২০ এর ‘খ’ ধারা ভঙ্গ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

এই আইন ভঙ্গের অভিযোগে শিক্ষক শামীম আহসানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদানের নির্দেশ দেওয়ার দাবিও করা হয়। একই সঙ্গে বরগুনা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানানো হয়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক শেখ ফারহান নাদিম শামীম আহসানকে নির্বাচনি কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। ওই আদেশ অমান্য করে তিনি নির্বাচনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।