logo
Advertisement

গোপালগঞ্জের সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, ৭ মাসে ঝরল ৩৮ প্রাণ

এশিয়া পোস্ট নিউজ, গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জের সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, ৭ মাসে ঝরল ৩৮ প্রাণ
মহাসড়কের গোপালগঞ্জ অংশ। ছবি : এশিয়া পোস্ট

ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গোপালগঞ্জ অংশে একের পর এক সড়কে বাড়ছে প্রাণহানি। গত সাত মাসে এসব মহাসড়কে অর্ধশতাধিক দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৮ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

Advertisement

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে নছিমন-করিমনসহ অনিয়ন্ত্রিত ও ধীরগতির যানবাহন অবাধে চলাচল করছে। পাশাপাশি অদক্ষ চালকের বেপরোয়া গতি এবং সড়কগুলোর অপরিকল্পিত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকের কারণেই প্রতিনিয়ত এসব দুর্ঘটনা ঘটছে।

কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা আকবার শিকদার বলেন, মহাসড়কে নিয়ম না মেনে ছোট যানবাহন চলাচল করছে। অনেক চালকও দক্ষ নন। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া গ্রামের নাছরুল ভূইয়া বলেন, দুর্ঘটনায় অনেক পরিবার স্বজন হারাচ্ছে, আবার অনেকে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করছেন। সড়কগুলোর দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

বাসচালক মিরাজ ফকির ও রুবেল শেখ জানান, একই মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস-ট্রাকের সাথে ধীরগতির ভ্যান, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল চলায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। দুর্ঘটনা কমাতে গতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মহাসড়ক দুটি দ্রুত চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানান তারা।

চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, মহাসড়কে ছোট যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলো দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, মহাসড়ক দুটি চার লেনে উন্নীত করা হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশেই কমে আসবে।

ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকোনুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মহাসড়কে নিয়মিত টহল দেওয়া হচ্ছে। বেপরোয়া যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চালকদের সচেতন করার কাজ চলছে।