পাহাড়-হ্রদের মিতালিতে রাঙামাটিতে মিলবে ভিন্ন রকম প্রশান্তি

হ্রদ ও পাহাড়ে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে প্রতি ঈদের ছুটিতে পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো। এবারের ঈদেও দেশের বিভিন্নস্থান থেকে ভ্রমণপিপাসু পর্যটকরা ছুটে আসছেন রাঙামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের এই জনপদে রয়েছে এমন কয়েকটি দর্শনীয় স্থান, যা ভ্রমণকে করে তুলতে পারে আরও স্মরণীয় ও প্রশান্তিময়।
রাঙামাটিতে পর্যটনের আকর্ষণীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে—ঝুলন্ত সেতু, সুবলং ঝরনা, কাপ্তাই হ্রদে বোটে ভ্রমণ, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধি, পুলিশের পলওয়েল পার্ক, আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়ক ও ভূস্বর্গ খ্যাত সাজেক ভ্যালি। টানা বৃষ্টিতে কাপ্তাই হ্রদের সৌন্দর্য আরও বেড়েছে। বর্ষা মৌসুমে রাঙামাটির পাহাড়ি ঝরনাগুলো তাদের যৌবন ফিরে পেতে শুরু করেছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানায়, ঈদের আগেই টানা ৭ দিনের ছুটিতে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন হোটেল ও মোটেলগুলোতে অগ্রিম ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বুকিং দিয়েছেন পর্যটকরা। আর সরকারি পর্যটন মোটেলে ৭০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে। একই অবস্থা মেঘ ও পাহাড় ঘেরা সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজের অধিকাংশ কক্ষের।
সাজেক কটেজ-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মণ জানান, সাজেকে ৯৮টি কটেজ প্রায় দুই হাজারের কিছু বেশি পর্যটক থাকতে পারে। কটেজ ও রিসোর্ট টানা ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে যারাই সাজেক আসবেন আসার আগেই রুম বুকিং দিয়ে আসার অনুরোধ।
রাঙামাটি রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুবেধ দেওয়ান জানান, আমার বার্গি লেক ভ্যালিতে ৮০ ভাগ রুম বুকিং হয়ে গেছে। আশা করছি এবারের ছুটিতে পর্যটকের সমাগম ভালো হবে। এ ছাড়া অন্যান্যদের রিসোর্টও ভালো বুকিং হয়েছে।
রাঙামাটি সরকারি পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, ঝুলন্ত সেতুসহ পর্যটন স্থানগুলো নতুন করে সাজানো হয়েছে।
