কর্ণফুলীতে ডুবে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নেমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজের স্থান থেকে প্রায় ৪০ ফুট দূরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সীতার পাহাড় এলাকার পাথরঘাটা নামের স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাজিদ শাহারিয়ার সানম (২৪) নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মামুমপুর এলাকার মো. নাছির উদ্দিনের ছেলে। তার বাবা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত এসপি। সাজিদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা ও নরসিংদী থেকে ১২ জনের একটি পর্যটক দল কাপ্তাইয়ে বেড়াতে আসে। দুপুরে ঘোরাঘুরি শেষে তারা কর্ণফুলী নদীর পাথরঘাটা এলাকায় গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে সাজিদ পানিতে নিখোঁজ হন। নদীতে স্রোত বেশি থাকায় উদ্ধারকাজে কিছুটা বেগ পেতে হয়। পরে রাঙামাটি থেকে আসা একটি ডুবুরি দল, কাপ্তাই নৌবাহিনী ঘাঁটি শহীদ মোয়াজ্জেমের ডুবুরি দল এবং কাপ্তাই থানা-পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কাপ্তাই ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সরোয়ার হোসেন বলেন, পর্যটক দলটি নদীতে গোসল করতে নামার পরই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে প্রায় ৪০ ফুট দূরে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমা বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
