logo

বৈরী আবহাওয়ায় আমের ফলন নিয়ে শঙ্কা, তবুও আশার আলো দেখছেন চাষিরা

বৈরী আবহাওয়ায় আমের ফলন নিয়ে শঙ্কা, তবুও আশার আলো দেখছেন চাষিরা

চুয়াডাঙ্গায় চলতি মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে আমের ফলন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। খরা ও কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে জেলার অধিকাংশ বাগানে মুকুল ও গুটি ঝরে পড়েছে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন চাষিরা।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ মৌসুমে প্রায় ৬০ শতাংশ আমচাষিরা লোকসানের মুখে পড়তে পারেন। তবে যারা বারি-৪ জাতের আম চাষ করেছেন, তারা তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভালো অবস্থানে আছেন।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গায় ২ হাজার ২০৩ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর প্রায় ৩০ হাজার ৬৫০ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজারদরের দিক থেকেও রয়েছে সম্ভাবনা। গত বছরের মতো যদি প্রতি কেজি আমের দাম সর্বনিম্ন ৪৫ টাকা থাকে, তাহলে চলতি মৌসুমে প্রায় ১২২ কোটি টাকার আম বিক্রি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের নিয়মিত সেচ দেওয়া, সুষম সার প্রয়োগ, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ডাল অপসারণ এবং রোগবালাই দমনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদ সরকার বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার অভাবে গুটি ঝরে পড়লেও এখনও পুরোপুরি ক্ষতি হয়নি। সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে অবশিষ্ট গুটি থেকেই ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।

তিনি জানান, কৃষিতে একটি প্রচলিত ধারণা হলো-গাছে যদি শেষ পর্যন্ত ২৫ শতাংশ গুটি টিকে থাকে, তাহলে বড় ধরনের লোকসান এড়ানো যায়।