logo

হত্যা মামলায় ছেলে গ্রেপ্তারের পর এমপি আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল

হত্যা মামলায় ছেলে গ্রেপ্তারের পর এমপি আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল
নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ। ছবি: ফেসবুক আইডি থেকে নেওয়া

নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের মৃত্যুর পর যেন ঘুম হারিয়ে গেছে বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের পরিবারের। প্রথমে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হোন আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টু। এরপর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডের এক দিন শেষ না হতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লো আব্দুল আজিজের কয়েকটি আপত্তিকর ভিডিও। যা এখন টক অব দা সিটিতে পরিণত হয়েছে। মোবাইল ফোন খুললেই চোখে পড়ছে আপত্তিকর ভিডিওগুলো।

তবে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এআইসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিওগুলো তৈরি করা হয়েছে। এসব ভিডিওর কোনো সত্যতা নাই।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের তিনটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় তাকে নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি আব্দুল আজিজ একটি ঘরে খাটের ওপর লুঙ্গি পরে খালি গায়ে শুয়ে আছেন। আর একজন নারী কণ্ঠে বিভিন্ন অশ্লীল কথাবার্তায় তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন।

নিজের ভিডিও ভাইরাল নিয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ এশিয়া পোস্টকে বলেন, ভিডিওগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মিথ্যা। আমার রাজনৈতিক একটি প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। এখন ইন্টারনেটের যুগ। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা যেতে পারে। প্রতিপক্ষ আমার সুনাম ও সুখ্যাতি নষ্ট করা জন্য এগুলো তৈরি করছে।

এ বিষয়ে নাটোর জেলা সনাকের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক এশিয়া পোস্টকে বলেন, একজন সংসদ সদস্য দেশের আইন প্রণেতা। তিনি যদি এমন অপকর্ম করেন তাহলে আমাদের সমাজের কী হবে। একজন সংসদ সদস্যের এমন নৈতিক স্খলন কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। প্রধানমন্ত্রী এগুলো যেন টলারেট না করে সেজন্য আমি আহ্বান জানাবো।

এ ব্যাপারে নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ এশিয়া পোস্টকে বলেন, কোনো সদস্য বা দলের কারো নৈতিক স্খলন হলে সাংগাঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আহ্বায়ক কমিটির চলতি মাসের সভায় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ দলের ঊর্ধ্বে না। দলীয় শৃঙ্খলা দলের সবার জন্য সমান।