সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যশোর ডিসি অফিসের ব্যাখ্যা

স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি না মেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে যশোর জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিতর্কের মুখে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেখানে জানানো হয়, সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় প্যারোলে মুক্তির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি।
ডিসি কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, একই সঙ্গে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি এমন তথ্যও সম্পূর্ণ মিথ্যা। পরিবারের মৌখিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মানবিক বিবেচনায় কারাগারের ফটকে মরদেহ দেখার সুযোগ দেয়। বিভিন্ন পোস্টে বন্দির স্ত্রীর নামে লেখা চিঠি, কারাগারে বন্দি অবস্থায় দেখানো ছবি যা যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সেই বিষয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্ট নেই বলে দাবি করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে কারাবন্দি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ওরফে স্বর্ণালী (২২) এবং তাদের নয় মাস বয়সী শিশুসন্তানের জানাজা শেষ হয়। পরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে, শনিবার সন্ধ্যায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে আনা হলে সেখানে মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য মরদেহ দেখার সুযোগ পান জুয়েল হাসান সাদ্দাম।
পরিবার ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মানসিক ভারসাম্য হয়ে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ওরফে স্বর্ণালী।