logo
Advertisement

কাবাঘর সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা যুবকের

এশিয়া পোস্ট নিউজ,বরিশাল
কাবাঘর সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা যুবকের
কাবাঘর সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক সৌদি প্রবাসী। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

সৌদি আরবে পবিত্র কাবাঘরকে সাক্ষী রেখে বিএনপির সব ধরনের রাজনীতি ও পদ-পদবি ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক সৌদি প্রবাসী। তিনি বিএনপির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সংগঠন জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি।

Advertisement

সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডিতে কাবাঘরকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ওই ভিডিওর কমেন্টে রাজনীতি ছাড়ার বিষয়ে দীর্ঘ এক কথা লিখেছেন তিনি।

কমেন্টে সাদ্দাম হাওলাদার লিখেছেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। আপনারা অবগত আছেন, বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ আমি, আমার পরিবার, বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০ শতাংশ লোকই সম্পৃক্ত ছিলাম।’

তিনি জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত ছিলেন বলে জানান।

তিনি লেখেন, ‘বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিট্যান্সযোদ্ধা। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতির প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই-পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন। হাজারো কথা বা অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত। মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানকে। ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে।’

সব ধরনের রাজনীতি থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আজকের পর আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। আল্লাহ তাআলার ঘর পবিত্র কাবা শরিফকে সামনে রেখে তওবা করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তা ছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কাজের সুবাধে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারও সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাদ্দাম হাওলাদার লিখিতভাবে কোনো পদত্যাগপত্র না পাঠিয়ে কি কারণে ফেসবুকে ভিডিও ছেড়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’