logo
Advertisement
রংপুরে ৪ খুন

জেলগেটে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ, প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ

এশিয়া পোস্ট নিউজ,রংপুর
জেলগেটে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ, প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ
খুন হওয়া চারজন ও অভিযুক্ত দুই আসামি। ছবি: এশিয়া পোস্ট

রংপুর নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তী, স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে শেষ দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্তকারী প্রতিনিধি দল।

Advertisement

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে উপপরিদর্শক মমিনুল ইসলাম ও আবু সাঈদ বাবলা দ্বিতীয় দিনের মতো জেলগেটে যান। তারা দুই আসামিকে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে বের হয়ে আসেন। এসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি তারা।

তবে বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ জানান, শিক্ষক পরিবার হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত থেকে যে আদেশ পেয়েছিলাম, তার শেষ দিন ছিল আজ (বুধবার)। দুদিনে আমরা আসামিদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি বিষয় খতিয়ে দেখব, কারণ মামলায় তদন্তের সীমা নেই। তদন্তের প্রয়োজনে যতটুকু গভীরে যাওয়া দরকার, আমরা সেটিই করব। আমরা এসব তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে এ মামলার সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য যা যা করণীয়, সবই আমরা করব।

এর আগেও গতকাল বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিট থেকে ২টা ৪৫ পর্যন্ত প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ করেন প্রতিনিধি দল। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে কী পেলেন, তা জানাননি তারা।

এর আগে, গত ২২ আগস্ট রাতে নিজবাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ। এসময় পুলিশ দাবি করে আসামিরা ইয়াবা সেবনের পর চার হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ রকম আলামত বাড়িতে পেয়েছে তারা। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে দুই আসামির ডোপ টেস্ট করা হলেও, রিপোর্টে মাদকের কোনো অস্তিত্ব মেলেনি।

আসামিদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি না পাওয়ায় গত ৩১ আগস্ট আরও জিজ্ঞাসাবাদের আরজি জানিয়ে রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী। তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড আবেদন বাতিল করেন জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত।