logo

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেল কর্মচারী আটক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেল কর্মচারী আটক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের ঘটনায় আব্দুল মোমিন (৪১) নামে এক হোটেল কর্মচারীকে আটক করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের চাঁদপাড়া বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক আব্দুল মোমিন ওই এলাকার গেন্দা মিয়ার ছেলে। সে চাঁদপাড়া বাজারের একটি খাবার হোটেলে কর্মচারী হিসাবে কাজ করে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে যান। তখন মেয়েটির বাবা বাড়ির পার্শ্ববর্তী বাজারে দর্জির দোকানে কাজে ব্যস্ত ছিল। সেই সুযোগে আব্দুল মোমিন দুপুরের দিকে ফাঁকা বাড়িতে এসে মেয়েটিকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ঘটনাটি কাউকে না জানাতে তাকে হুমকি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

পরে বাড়ি ফিরে এলে মেয়েটি তার মাকে সবকিছু খুলে বলে। পরবর্তীতে বিষয়টি লোকমুখে জানাজানি হলে সন্ধ্যায় এলাকাবাসী ধর্ষক আব্দুল মোমিনকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরুল কায়েস ও থানার পুলিশ তাকে আটক করে।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বলেন, দুপুরে আমার স্বামী টেইলার্সের কাজে দোকানে ছিল। আমি মেয়েকে বাসায় একা রেখে বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। নামাজ শেষে বাসায় ফিরে আসলে মেয়ের মুখে ঘটনাটি জানতে পারি। আমি মোমিনের উপযুক্ত শাস্তি চাই, আমি ধর্ষকের ফাঁসি চাই।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফরহাদ আলী বলেন, ভিকটিম ছাত্রী রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে এলে আমরা তাকে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টেপ ক্রাইসিস ইউনিটে রেফার্ড করেছি। প্রাথমিক লক্ষণ দেখে ধারণা করা হচ্ছে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিকে আটক করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে।