পাহাড়ের ১৫০ ফুট নিচ থেকে মারমা মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

বান্দরবানের মেঘলা পর্যটন এলাকার একটি পাহাড়ি খাদ থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড—তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে শহরের মেঘলা লালমোহন বাগান তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ার গহিন এলাকা থেকে প্রায় ১৫০ ফুট নিচে পড়ে থাকা অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন—রমেসিং মার্মা (৩০) ও মেয়ের বৃষ্টি মার্মা (৪)। তাদের বাড়ি মেঘলার কানাপাড়া এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত থেকে মা ও তার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিল না স্বজনরা। অনেক খোঁজাখুঁজির পর গহিন এলাকার ১৫০ ফুট পাহাড়ের নিচে পড়ে থাকতে দেখতে পায় মা ও মেয়েকে। স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়। তবে কেউ এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারেনি এটি কি আত্মহত্যা নাকি খুন।
কুহালং ইউনিয়নের চেমিডলু পাড়ার বাসিন্দা ও ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য চাইউগ্য মারমা বলেন, চার বছর আগে কানাপাড়ায় তার বিয়ে হয়েছিল। সকালে তার লাশ পাওয়া গেছে শুনে হাসপাতালে দেখতে আসছি। আসলে কী হয়েছিল আমাদেরও জানা নাই। খবর নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) সার্কেল মান্না দে বলেন, শহরের মেঘলা এলাকা থেকে মা-মেয়ে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছি। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।