তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান ওরফে তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক এ আদেশ দেন।
এশিয়া পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ।
দুই সেনাসদস্য হলেন, সাবেক সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান (জাহিদ) এবং সাবেক সৈনিক শাহীন আলম।
গত ২২ এপ্রিল রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে আদালতের অনুমতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে জানান, তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত আলামতে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। ডিএনএ বিশ্লেষণে চারজনের নমুনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আগে তিনজনের শুক্রাণুর নমুনা পাওয়া গেলেও নতুন শনাক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে রক্তের নমুনা পাওয়া গেছে। হাফিজুর রহমানের ডিএনএ পরীক্ষার ফল এখনও অপেক্ষমাণ।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পর দিন সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
দীর্ঘ এক দশকেও বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি। থানা পুলিশ, ডিবি ও সিআইডির পর ২০২০ সালে মামলাটির তদন্তভার পায় পিবিআই।
